পুডিং Pudding


পুডিং মজাদার একটি খাবার। দুধ-ডিমের মিশ্রণে বানানো এখাবারটি অনেক পুষ্টিকরও। পুডিং বানানোর নিয়মও অনেক সহজ। একটু কষ্ট করলে বাসায় আপনিও বানাতে পারেন সুস্বাদু খাবার পুডিং। আজকে আপনাদের জন্য পুডিং বানানোর সহজ উপায় বাতলে দেব।

আধা কেজি পরিমাণ পুডিং বানাতে যা যা লাগবেঃ

১. দুধ আধা লিটার

২. ডিম ৪টি

৩. চিনি ৫/৭ টেবিল চামচ (চিনি বেশী পছন্দ করলে আরো দিতে পারেন)

৪. ভেনিলা এসেন্স (যদি থাকে)

৫. ঢাকনাওয়ালা টিফিন বক্স বা পুডিং বানানোর বাটি

পুডিংয়ের দুধ প্রস্তুত করাঃ

পুডিং বানানোর জন্য ৫০০ মিলিলিটার/আধা লিটার দুধ নিয়ে হাড়িতে জ্বালিয়ে ৩০০ মিলিলিটার বা অর্ধেক পরিমান করতে হবে। এরপর নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা করার সময় দুধ নাড়তে থাকুন। যেনো সর না জমতে পারে। সর জমিয়ে দুধ নষ্ট করবেন না।

খাটি গরুর দুধ হলে ভালো হয়, আর ম্যানেজ করতে না পারলে বাজারের পাস্তুরিত তরল দুধ দিয়ে পুডিং বানাতে পারবেন। আড়ং, প্রাণ, মিল্ক ভিটার দুধ রয়েছে বাজারে।

 

পুডিংয়ের ডিম প্রস্তুত করাঃ

আধা লিটার দুধের পুডিং বানাতে ৩-৪টি ডিমের প্রয়োজন হয়। একটি বাটিতে ডিমগুলো নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এরপরে এতে চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ ফেটাতে থাকুন। খুব ভালো করে মিশ্রণ করতে হবে যেনো ডিমের সাদা এবং হলুদ অংশ পৃথক হয়ে না থাকে।

দুধ ও ডিমের মিশ্রণ তৈরিঃ

এবার ডিম-চিনির মিশ্রণে ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া দুধ ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন যদি দুধ সামান্য গরম থাকে তবে ডিমকে জমাট করে ফেলবে। তাই দুধ খুব ঠাণ্ডা করে নিয়েই মেশাতে হবে। ভ্যানিলা এসেন্স দিতে চাইলে এসময় কয়েক ফোটা দিতে পারেন। এটা দেয়া মোটেও জরুরি নয়। বরং ক্যামিকেল মুক্ত খেতে চাইলে না দেয়ায় ভালো। এই মিশ্রণ রেখে দিন পুডিং বানানোর পরবর্তী ধাপের জন্য।

টিফিন বাটিতে ক্যারামেল তৈরিঃ

যে বাটিতে পুডিং বানাতে চান সেই বাটিতে ক্যারামেল করতে হবে। পুডিং বানানোর জন্য একটি স্টিলের টিফিন বাটি হলে ভালো হয়। টিফিন বাটির তলায় কিছু চিনি ছড়িয়ে দিন। প্রায় ১ চা চামচ পরিমান চিনি বাটিতে ছড়িয়ে দু’এক চামচ পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন।

চিনি গলে মিশে শিরা তৈরি হয়ে লাল হয়ে বাটির সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে বাটিটি ঠাণ্ডা করুন। দেখবেন গলিত চিনি লাল হয়ে বাটির নিচের পৃষ্ঠে মিশে আছে।

যদি এখনো বুঝতে না পারেন কিভাবে ক্যারামেল বানাবেন, তবে ক্যারামেল বানানোর জন্য দেখুন: সহজে উপায়ে ক্যারামেল বানানোর নিয়ম।

দুধ-ডিমের মিশ্রণ দিয়ে চুলায় বসানোঃ

পুডিং বানানোর জন্য এ পর্যায়ের কাজ কিছুটা জটিল। তবে বুঝতে পারলে খুবই সহজ। দুধ-ডিমের মিশ্রণটিকে গরমে সিদ্ধ করতে হবে। এজন্য একটু বড় পাতিল বা সসপ্যান ধরনের পাত্র নিতে হয়। পাত্রটির ঠিক মাঝে একটি পাতিল রাখার স্ট্যান্ড বসিয়ে দিন। এবার পাত্রে ১/৪ অংশ পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এবার ক্যারামেলযুক্ত ঠাণ্ডা বাটিতে দুধ-ডিমের মিশ্রণ ঢেলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।

একটি বিষয় পরিষ্কার থাকবেন, দুধ-ডিম মিশ্রিত মিশ্রণ জমে পুডিং তৈরি হবে। এটাকে গরমে জমাতে হবে। তাই গরম পানির মধ্যে বসিয়ে তাপ দেয়া হবে।

মিশ্রন ভর্তি টিফিন বাটিটি স্ট্যান্ডের উপর বসান। এবার এমনভাবে পানি দেবেন যেনো তা গরম হয়ে উৎরিয়ে টিফিন বাটির মধ্যে না ঢুকে পড়ে। প্রয়োজন হলে টিফিন বাটিটি ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন।

এবার পাতিল বা সসপ্যান যা আপনি ব্যবহার করছেন তা চুলায় উঠিয়ে দিন। পাতিল ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এবারে আগুন জ্বালিয়ে দিন। পাত্রটির ঢাকনার উপরে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। যেনো বাষ্প বের হয়ে যেতে না পারে। ৩৫-৪৫ মিনিট জ্বাল হলে আপনার পুডিং হয়ে যাওয়ার কথা।

পুডিং জমানোঃ

চুলা থেকে নামানোর আগে একটি কাঠি দিয়ে পুডিং ঠিকমতো হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে নিন। এজন্য চিকন কাঠিটি টিফিন বাটির ঢাকনা খুলে পুডিংয়ের মধ্যে ঢুকিয়ে দিন। যদি কাঠিটি পানিযুক্ত দেখেন, তবে আরো কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। পানি শুকিয়ে দুধ-ডিমের মিশ্রণ জমে গেলেই পুডিং হয়ে যাবে।

পুডিংয়ের সর্বশেষ ধাপঃ

এরপর পুডিংয়ের বাটি একটু ঠাণ্ডা হলে একটি ছড়ানো প্লেটে উল্টো করে দিন। আস্তে আস্তে বাটিটি তুলে নিন। কোনো তাড়াহুড়ো বা ঝাকা-ঝাকি করবেন না। এমনিতেই বাটি উঠে আসবে। বাটি তুললে দেখবেন পুডিংয়ের ক্যারামেল অংশটি উপরে রয়েছে।

পুডিং পরিবেশনাঃ

এবার ঠাণ্ডা করে খেতে চাইলে ফ্রিজে রাখতে পারেন। হয়ে গেলো মজাদার হোম-মেইড পুডিং। কেটে কেটে প্রিয়জনকে যখন পরিবেশন করবেন, নিশ্চয় তারা চমকে যাবে।
পুডিং বানাতে সতর্কতাঃ

১. দুধ ঠাণ্ডা করার সময় নাড়তে থাকুন।

২. গরম দুধের মধ্যে ডিম মেশাবেন না।

৩. পুডিং বাটি গরম পানির মধ্যে দেয়ার সময় খেয়াল রাখবেন, পানি যেনো বাটির মধ্যে ঢুকে না পড়ে। পানি গরম করলে উঁচু হবে। তাই বাটির মুখ থেকে পানি নিচুতে রাখুন।

=========
হোমমেড পুডিং খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। বাসায় কিভাবে সহজ উপায়ে মজাদার ডিমের পুডিং বানানো যায় তার সহজ রেসিপি দেয়া হল। বাসায় পুডিং বানাতে, ডিম, দুধ, চিনি টিফিন বক্স প্রয়োজন হয়।

 

দুধ চিতই


দুধ চিতই

দুধচিতুই 1 দুধচিতুই 2

 

 

 

 

 

 

 

 

দুধচিতুই

 

চালের গুঁড়ি ২কাপ গুড় / কাপ
লবণ / চা চা দুধ, ঘন ২কাপ

১। দেড়কাপ পানিতে গুড় জ্বাল দিয়ে ছেঁকে রাখ।

২। চালের গুঁড়িতে লবণ ও এককাপ পানি দিয়ে মসৃণ করে মিশাও। পাতলা হলে আরও গুঁড়ি মিশাও। তবে পাতলা গোলার পিঠা ভিজে নরম হয়। গোলা বেশি ঘন হলে পিঠা নরম হয় না।

৩। চিতুই পিঠার খোলায় সামান্য তেল মাখাও।  খোলা গরম করে দুটে. চামচ গেলা দিয়ে ঢেকে দাও। ঢাকনার চারপাশে পানি ছিটিয়ে দাও। ৩-৪ মিনিট পর পিঠা তুলে গুড়ের সিরায় ভিজাও (পিঠায় ফুটি ফুটি ছিদ্র হলে এবং পিঠার মাঝখানে ফুললে সে পিঠা দুধে ভিজে নরম হয়)।

৪। সব পিঠা ভিজান হলে চুলায় দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দাও। ঠান্ডা হলে দুধ দিয়ে একরাত ভিজিয়ে রাখ। চিতুই পিঠা দুধে না ভিজিয়ে ভাজি, ভুনা মাংস বা কলিজা কারি দিয়েও পরিবেশন করা যায়।

 

ক্ষীরের পাটি সাপটা


ক্ষীরের পাটি সাপটা

পাটি সাপটা 1 পাটি সাপটা 2

ক্ষীরের পাটি সাপটা

 

ক্ষীরঃ গোলাঃ
দুধ ২লিটার চালের গুড়ি ৬কাপ
চিনি /  কাপ ময়দা /  কাপ
চালের গুঁড়া ১টে.চা গুড় বা চিনি ৭০০ গ্রাম
 

১। দুধ ফুটাও। মাঝে মাঝে নাড়তে হবে। দুধ শুকিয়ে অর্ধেক হলে /  কাপ দুধ তুলে রাখ। ১টে.চামচ করে চিনি দুধে দিয়ে জ্বাল দিতে থাক। আরও একটু ঘন হলে তুলে রাখা দুধে চালের গুঁড়ি গুলে দাও এবং ঘন ঘন নাড়। তিন চারবার ফুটে উঠলে নামিয়ে নাও। ঢাকনা দেওয়া বাটিতে রাখ।

২। গুঁড় ভেঙ্গে ১ কাপ পানিতে গুলে নাও। গুঁড়ি, ময়দা ও গুড় দিয়ে গোলা কর। গোলা এমন আন্দাজে করবে যেন খুব ঘন না হয় আবার পাতলাও না হয়।

৩। লেহার কড়াই বা ফ্রাইপ্যান গরম করে সামান্য তেল মাখাও। আধা কাপ গোলা কড়াইয়ে দিয়ে কড়াই ঘুরিয়ে গোলা ছড়িয়ে নাও। পিঠার উপরের দিক শুকিয়ে গেলে এবং রুটির কিনার কড়াই থেকে আগলা হয়ে আসলে ১টে.চামচ ক্ষীর একপাশে রাখ। ক্ষীর ভিতরে রেখে পিঠা মুড়াও। চামচ দিয়ে পিঠা চ্যাপ্টা করে দাও। ঘন দুধের পরিবর্তে ১কৌটা কনডেন্সড মিল্ক নেয়া যায়।

নতুন গুড়ের ক্ষীর


নতুন গুড়ের ক্ষীর

নতুন গুড়ের ক্ষীর

নতুন গুড়ের ক্ষীর

 

পোলাওর চাল / কাপ খেঁজুর গুড় //  কাপ
দুধ ৬কাপ

১। চাল ধুয়ে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখ। হাত দিয়ে কচলে চাল ভেঙ্গে দাও। পানিসহ চাল দুধের সঙ্গে মিশাও। চুলায় দাও। চাল সিদ্ধ হলে মাঝে মাঝে  নাড়।

২। চাকা গুড় হলে ভেঙ্গে নাও। ক্ষীর চুলা থেকে নামিয়ে অল্প অল্প গুড় দিয়ে নাড়। সব গুড় দেয়া হয়ে গেলে আবার মৃদু আঁচে চুলায় দাও। ঘন ঘন নাড়, কয়েকবার ফুটে উঠলে নামিয়ে বাটিতে ঢাল।

৩। ঠান্ডা ক্ষীর, খই এবং মুড়ির সঙ্গে পরিবেশন কর।

ফুলঝুরি


ফুলঝুরি

ফুলঝুরি

 ফুলঝুরি

ডিম ১ টি লবণ / চা. চা.
দুধ / কাপ চিনি / চা. চা.
ময়দা / কাপ সয়াবিন তেল,ভাজার জন্য

 

১। ডিম অল্প ফেট। ডিমের সঙ্গে দুধ মিশাও।

২। ময়দা,লবণ ও চিনি এক সঙ্গে মিশাও। দুধ-ডিম ঢেলে দিয়ে ময়দা মসৃণ করে মিশাও।

৩। কড়াইয়ে তেল গরম করে ফুলঝুরি নক্সা গরম তেলে ৩-৪ মিনিট ডুবিয়ে রাখ।

৪। ফুলঝুরি নক্সা গরম হলে তেল থেকে তুলে ভালভাবে তেল ঝেড়ে গোলানো ময়দার অর্ধেকের বেশি ডুবাও,কিন্তু সাবধান, যেন সম্পুর্ন না ডুবে। ফুলঝুরি শলাকা ময়দার গোলা থেকে তুলে তেলে ডুবাও। ফুলঝুরি ফুলে ওঠা মাত্রই শলাকা আস্তে আস্তে ঝাকিয়ে শলাকা থেকে ফুলঝুরি আলাদা কর। ভাজা হলে তেল তেথে তুলে নাও। ফুলঝুরি শলাকা আবার তেলে গরম করে নাও।

 

নারিকেলের পুরী


নারিকেলের পুরী

নারিকেলের পুরী

 

নারিকেল, কুরানো ২কাপ চিনি / কাপ
সুজি বা চালের গুঁড়ি ২টে.চা ময়দা ৩কাপ
ঘি বা তেল ২টে.চা লবণ ২চা চা
এলাচ, গুঁড়া / চা চা পানি / কাপ

১। এক টে.চামচ ঘিয়ে সুজি বা চালের গুঁড়ি অল্প ভাজ। সুজিতে নারিকেল, চিনি, ঘি, এলাচ গুঁড়া এবং / কাপ পানি দিয়ে নাড়তে থাক। হালুয়া চটচটে হলে চুলা থেকে নামাও।

২। ময়দায় ঘিয়ের ময়ান দিয়ে লবণ ও পানি দিয়ে মথ। মথা হলে ২০ ভাগ কর।

৩। প্রত্যেক ভাগের উপর ২ চা চামচ নারিকেলের হালুয়া দাও। রুটির চারি কিনারে আঙ্গুল দিয়ে পানি মাখিয়ে ত্রিভুজ আকারে মুখ চেপে বন্ধ কর। আবার রুটি না কেটে অর্ধ-চন্দ্রাকারেও পুরী করা যায়।

৪। নারিকেলের পুরী ডুবো তেলে ভাজ।

চিকেন / বিফ শর্মা


Shawarma

 

উপকরনঃ

শর্মা রুটির জন্য

– ময়দা ৪ কাপ,
– চিনি ২ টেবিল চামচ,
– লবণ ১ চা চামচ,
– গুঁড়োদুধ ২ টেবিল চামচ,
– ইস্ট ২ টেবিল চামচ,
– তেল ২ টেবিল চামচ,
– গরম পানি ১ থেকে দেড় কাপ

ভেতরের পুর তৈরির জন্য
– গরু/ মুরগীর মাংস ২০০ গ্রাম লম্বাটে চিকন করে কাটা
– পেঁয়াজ কুঁচি ১ কাপ
– ১ টেবিল চামচ চিলি সস
– ১ চা চামচ অয়েস্টার সস
– ১ চা চামচ সয়াসস
– মরিচ কুঁচি প্রয়োজনমতো
– লবণ স্বাদমতো

শর্মা স্পেশাল সস তৈরির জন্য
– টকদই ২ কাপ,
– ১/৪ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
– লবণ স্বাদমতো,
– ১/৪ চা চামচ

অন্যান্য
– টমেটো লম্বাটে কুচি করে কাটা
– শসা লম্বাটে কুঁচি করে কাটা
– পেঁয়াজ স্লাইস করে ছাড়িয়ে নেয়া
– লেটুস পাতা কুঁচি

পদ্ধতিঃ

শর্মা রুটি তৈরি
– কুসুম গরম পানি ইষ্ট গুলিয়ে রাখুন।
– ময়দা, চিনি, লবণ, গুঁড়োদুধ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এতে ইষ্ট গোলানো পানি এবং পরিমাণ মতো পানি দিয়ে খামির তৈরি করে নিন।
– ভালো করে ময়দা মথা হয়ে গেলে জল তেল দিয়ে আবারও খামির খানিকক্ষণ মথে নিতে হবে।
– এরপর খামির আধা ঘণ্টা গরম জায়গায় রেখে দিন। এতে খামির ফুলে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
– আধা ঘণ্টা পর খামির ১২ টি ভাগ করে রুটি বেলে নিন।
– এরপর রুটিগুলো ভালো করে সেঁকে নিন।

শর্মা পুর তৈরি
– প্রথমে কাটা মাংস সামান্য লবণ দিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিন।
– এরপর একটি প্যানে তেল দিয়ে এতে পেঁয়াজ ও মরিচ কুঁচি দিয়ে নেড়ে নিন। তারপর এতে লবণ ও সসগুলো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে সেদ্ধ করা মাংস দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
– মাংস ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
– শর্মা স্পেশাল সস তৈরির জন্য রাখা সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে সস তৈরি করে নিন।
– ভাজা মাংসের পুরে স্পেশাল সসটি দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন।

বিফ/চিকেন শর্মা তৈরি
– পিটা রুটি প্লেটে বিছিয়ে নিয়ে এর এক কিনারে পুরু করে ভেতরের পুর দিয়ে দিন।
– পুরের উপরে লেটুস পাতা, পেঁয়াজ, শসা ও টমেটো কুচি দিয়ে দিন।
– এরপর রুটিটি রোল করে শর্মা তৈরি করে ফেলুন।
– ব্যস, এবার সস বা মেয়োনেজের সাথে মজা নিন সুস্বাদু এই ‘বিফ/চিকেন শর্মা’র।

 

আমের সসে করলার দোলমা


ss

 

উপকরণ : করলা বড় ২টি, আম সেদ্ধ আধা কাপ, পুরের জন্য মাংসের কিমা ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ১ টেবিল চামচ, আমচুর গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, তেল ১ কাপ, গুড় ২ টেবিল চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, শুকনা মরিচ ২টি, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া সামান্য, চিনি স্বাদমতো। দারুচিনি ও এলাচ একটি করে।

প্রণালি : আদা-রসুন বাটা ১টি এলাচ, ১ টুকরা দারুচিনি, লবণ দিয়ে কিমা সেদ্ধ করে নিন। এবার করলার ওপর দিক একটু চেঁছে নিয়ে দুপাশ কেটে একটু ভাঁজ দিয়ে নিন। এবার মাঝখানে চিরে দিয়ে ভেতর থেকে বিচি বের করে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে কিমা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। তাতে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে একটু মাখা মাখা হলে লবণ, চিনি ও আমচুর গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। করলার ভেতরে কিমার পুর ভরে সুতা দিয়ে বেঁধে রাখুন। সেদ্ধ করা আম ভালো করে চটকিয়ে নিয়ে তাতে ১ কাপ পানি মেশান। এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে মেথি ও শুকনা মরিচ ফোড়ন দিয়ে সেদ্ধ আম ঢেলে দিন। সামান্য হলুদ মরিচ গুঁড়া লবণ ও গুড় দিয়ে বলক এলে পুরভরা করলা দিয়ে দিন। মাখা মাখা হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

 

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১২ মে ২০১৫, প্রথম আলো