মেজবানি মাংস


মেজবানি মাংস

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য মেজবান। এতে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় গরুর মাংসের নানা স্বাদের মজাদার পদ দিয়ে। তাই বলে বিশাল আয়োজন ছাড়া মেজবানি মাংসের স্বাদ কি নেওয়া যাবে না? যাবে। দেখে নিন জোবাইদা আশরাফের রেসিপি

মেজবানি মাংস

উপকরণ–১: গরুর মাংস চার কেজি, পেঁয়াজ (অর্ধেক বাটা, অর্ধেক কুঁচি) ২ কেজি, আদাবাটা ২০০ গ্রাম, রসুনবাটা ২০০ গ্রাম, সাদা সরিষাবাটা ৫০ গ্রাম, চিনাবাদামবাটা ৫০ গ্রাম, নারকেলবাটা ২০০ গ্রাম, ধনে গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, গরমমসলা পরিমাণ মতো, টমেটো ১ কেজি, সরিষার তেল আধা কেজি, ঘি ৩৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ১০টি ও লবণ পরিমাণমতো।
উপকরণ-২: জিরা ২০ গ্রাম, ধনে ১০ গ্রাম, রাঁধুনি ১৫ গ্রাম, শুকনা মরিচ ১০টি ও তেজপাতা ৮টি।
উপকরণ-৩: মুখ চেরা এলাচি ৬টি, দারুচিনি (২ ইঞ্চি) ৩টি, লবঙ্গ ৮টি, গোলমরিচ আধা টেবিল চামচ, মেথি ২ টেবিল চামচ, জায়ফল ১টি, জয়ত্রী ১ টেবিল চামচ, রাঁধুনি আধা টেবিল চামচ ও জৈন ১ চা-চামচ।
প্রণালি: মাংস টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। গরম পানি ও কাঁচা মরিচ ছাড়া ১ নম্বর উপকরণের সব মসলা ও ২৫০ গ্রাম ঘি দিয়ে মাংস মেখে একটি ভারী সসপ্যানে নিয়ে চুলায় বসাতে হবে। ২ কাপ পানি দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। ২ নম্বর উপকরণের মসলাগুলো ভেজে গুঁড়া করে মাংসে দিতে হবে। ঢাকনা দিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে একটু পানি গরম করে দিতে হবে। বেশি দেওয়া যাবে না। মাখা মাখা ঝোল রাখতে হবে। এর মধ্যে ৩ নম্বর উপকরণের মসলা ভেজে গুঁড়া করে রাখতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ওপরে তেল ভেসে উঠলে কাঁচা মরিচ, ৩ নম্বর উপকরণের গুঁড়া মসলা ও ১০০ গ্রাম ঘি দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। সার্ভিং ডিসে মেজবানি মাংস নিয়ে ওপরে বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করা যাবে।

খেজুর রসে ভাপাপিঠা


=========খেজুর রসে ভাপাপিঠা========

ভাপাপিঠা 2      ভাপাপিঠা 1

উপকরণ: ঘন খেজুরের রস আধা কাপ,
পাতলা খেজুরের রস ২ কাপ,
মিহি কুরানো নারকেল ১ কাপ,
সেদ্ধ চালের গুঁড়া ২ কাপ,
আতপ চালের গুঁড়া আধা কাপ,
পানি ১ কেজি,
পাতলা পরিষ্কার কাপড় ২ টুকরা,
ভাপাপিঠার হাঁড়ি ও বাটি ১টি করে,
লবণ এক চিমটি।

প্রণালি:
সেদ্ধ ও আতপ চালের গুঁড়া, লবণ ও ঘন রস আস্তে আস্তে দিয়ে মাখাতে হবে, যাতে পুরো মিশ্রণ ঝরঝরে থাকে। খেয়াল রাখতে হবে, যাতে চাকা না হয়ে যায়। তারপর একটা মোটা চালনিতে মিশ্রণটুকু চেলে নিতে হবে।
এই মিশ্রণে হালকা হাতে নারকেল মেশাতে হবে। হাঁড়িতে পানি ফুটে উঠলে বাটিতে হালকা হাতে চেপে পিঠা বসাতে হবে। এবার বাটি কাপড়ে মুড়িয়ে ভাপে বসিয়ে চটজলদি কাপড় একটু ফাঁক করে বাটি উঠিয়ে দিয়ে আর একটি পিঠা তৈরি করতে হবে। বাটি ওঠাতে দেরি করলে পিঠা বাটিতে আটকে যাবে।
সব পিঠা বানানো হলে ঠান্ডা করে ওপরে ঠান্ডা পাতলা রসে ভিজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার শীতের রসে ভেজানো লাল ভাপাপিঠা।

চুলাতে বানান চকলেট কেক


চুলাতে-বানান-চকলেট-কেক

 

উপকরণঃ

১) ময়দা – ১কাপ
২) চিনি – ১কাপ
৩) তেল – ১/২কাপ (হাফকাপ)
৪) পাউডারদুধ – ২টে: চা:
৫) বেকিংপাউডার – ১চা: চা:
৬) ডিম – ৩টা
৭) ভেনিলাএসেন্স – ১/২চা: চা:
৮) লবন – ১চিমটি ( ইচ্ছা )
৯) কোকোপাউডার – ৩টে: চা:

প্রণালিঃ

১) চালনিতে ময়দা,পাউডার দুধ, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, লবন চেলে নিতে হবে।

২) একটা বোলে ডিম ভালভাবে ব্লেন্ড করতে হবে এগ বিটার না থাকলে কাটা চামচ দিয়ে জোরে ফেটতে হবে। ডিমটা ভাল করে ফেটা হলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে ফেটতে হবে।

৩) চিনি ভাল ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স ও তেল দিতে হবে ।

৪) তারপর চেলে রাখা ময়দা দিয়ে ভাল ভাবে মেশাতে হবে। ব্যাস “ব্যাট্যার” রেডি। এবার হাঁড়িতে সামান্য তেল লাগিয়ে “ব্যাট্যার” ঢেলে দিন।( ৩ পাউন্ডের চুলায় কেক বানানোর হাঁড়ি পাওয়া যায়। ৩ পাউন্ডের হাঁড়িতে ২ পাউন্ড কেক ভালভাবে হয়)

৫) এবার চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কম আঁচে রাখতে হবে, তার উপর একটা “তাওয়া ” দিতে হবে। এবার হাঁড়ির নিচে অংশ বসিয়ে তার উপর হাঁড়ি বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। ২৫/ ৩৫ মিঃ লাগবে হতে।কেক ঠান্ডা হলে একটা প্লেটে উল্টা করে ঢেলে দিয়ে কেক পরিবেশন করুন।

***কেকের ক্রিম যেভাবে করবেন দুইটি ডিমের সাদা অংশ খুব ভালো ভাবে ইলেকট্রিক বিটারে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। ১০০ গ্রাম ঠাণ্ডা বাটার নিয়ে বিট করতে হবে পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত। তারপর আপনার স্বাদ মত আইসিংসুগার বিট করতে হবে।সুগার ভালো ভাবে মিশে গেলে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুটি আইস কিউব আবার বিট করতে থাকুন! আইস কিউব গলে গেলে নরমাল ফ্রিজে ১০ মিনিট রাখুন। বের করে আবার বিট করুন অথবা চাইলে পছন্দ মতো রঙ দিয়ে বিট করে নিলেই ক্রিম রেডি। মনে রাখবেন ক্রিমের ক্ষেত্রে এখানে ভালোভাবে বার বার বিট করাটাই আসল।তাই ইলেকট্রিক বিটারই ভালো কাজে আসবে এখানে।

সুইট এন্ড সাওয়ার চিকেন চিজ বল


পরিবারে নানা বয়সের মানুষ থাকে, এক এক খাবার এক এক বয়সির জন্য ভাল এবং অন্য বয়সির জন্য ভাল নয়। সবার জন্য আলাদা আলাদা রান্না করাও সম্ভব নয় তবুও রান্নাকারী যখন রান্না করেন তখন মোটামুটি সবাইকে চিন্তা করেই রান্না করে থাকেন। আর যেটা রান্না করা হয় একজন রান্নাকারী এটা মাথায় রাখেন যে, যেন সবাই তা খেতে পারে বা সবার শরীরের জন্য কাজে লাগে (কিছু রান্নাতে এটা চিন্তা করা হয় না)। তাই মোটামুটি ঝাল কমিয়ে, শক্ত না রেখে তা রান্না করা হয়। শিশু ও বৃদ্ধদের যাতে খেতে সমস্যা না হয় তা এটা সব সময়েই একজন রান্নাকারীর মাথায় থাকে। যাই হোক, পরিবারের সবার জন্য রান্না চিন্তাটা মোটামুটি সহজভাবে দেখা হলেও তা সহজ নয়, একজন মা বা বাজারকারীকে এই বিষয়ে সব সময়ে সচেষ্ট থাকতে হয় এবং তিনি বা তারা এটা করেন বলেই, সবাই খাবার টেবিলে খাবার পেয়ে থাকে।

যাই হোক, চলুন আজ আপনাদের এমনি একটা সুন্দর খাবারের কথা শুনাবো, যা আশা করি সবাই খেতে পারবে, সুইট এন্ড সাওয়ার চিকেন চিজ বল! চিকেন দিয়ে একটা অসাধারণ রান্না, খেতে সুস্বাদু, ছেলে বুড়ো সবাই খাবে। চলুন দেখে ফেলি।

উপকরণ ও প্রনালীঃ (উপকরণ ও প্রনালী এক সাথে দেয়া হল ভাল করে বুঝার জন্য তবে আপনারা রান্না শুরু করার আগে সব উপকরণ হাতের কাছে যোগাড় করে নিতে ভুলবেন না)

চিজ প্রিপারেশনঃ

দেশী চিজ বা পনির ব্যবহার করা হয়েছে, আপনারা চাইলে অন্য যে কোন চিজ ব্যবহার করতে পারেন।


৫০ গ্রাম চিজে গোটা ১০/১৫টা চিজ বল বানানো যেতে পারে।


চিজ গুলো এভাবে কেটে ছোট পিস করে নিন এবং তাতে এক চিমটি মরিচ গুড়া ছিটিয়ে রাখুন।

চিকেন প্রিপারেশন ও চিজ বল অনুষাঙ্গিকঃ

হাড় ছাড়া চিকেনের বুকের মাংস নিন, ২০০ গ্রাম দিয়ে গোটা ১০ বল বানানো যেতে পারে। মাংস গুলো পাতলা করে কেটে থেতিয়ে নিয়ে গ্রাইড করে নিতে পারেন অথবা বেটে নিতে পারেন।


চিকেন বলের উপকরণঃ চিকেন পেষ্ট, পেঁয়াজ কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, হাফ চামচ লাল গুড়া মরিচ (ঝাল বেশি হলে কম), লবন ও দুই চিমটি গোল মরিচ গুড়া।


ভাল করে উল্লেখিত উপকরণ মেখে নিন।


এবার বল বানাতে শুরু করুন। এক গোলা চিকেন মিক্স এভাবে নিয়ে তার মধ্য চিজের এক টুকরা দিয়ে গোল করে নিন।


এই তো চিজ চিকেন বল হয়ে গেল, এভাবে বল গুলো বানিয়ে সাজিয়ে রাখুন।

চিকেন চিজ বল ভেঁজে নেয়াঃ

চিকেন চিজ বল গুলো ডুবো বা গা গা তেলে ভাঁজতে হবে। তেল গরম করে তাতে সাবধানে একে একে বল গুলো দিতে থাকুন।


এভাবে ভাঁজুন।


এক পিট হয়ে গেলে অন্য পিট উল্টে দিন।


চিকেন বল গুলো কেমন রঙ রাখবেন তা আপনি নিজেই নির্ধারন করে নিতে পারেন মানে কম বা বেশি ভাঁজা। তবে মিনিট ৮/১০ এর ভাঁজাতেই বল গুলো খাবার উপযুক্ত হয়ে পড়ে।


এবার বল গুলো তুলে রাখুন এবং মুল রান্নায় চলে যেতে পারেন।

মুল রান্নাঃ

মুল রান্নার উপকরন –
– হাফ কাপের কম পেঁয়াজ বাটা বা কুঁচি (আমরা সামান্য বেটে নিয়েছি)
– দেড় চা চামচ আদা বাটা
– দুই চা চামচ রসুন বাটা
– সসেস মিক্স (টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, সয়াসস ২ কর্ক, ওয়েষ্টার সস ২ কর্ক, ভিনেগার ১ কর্ক, মরিচ গুড়া ১ চিমটি, চিনি দেড় চা চামচ মিষ্টি স্বাদ আপনি কেমন চান তার উপর নির্ভর করে চিনি দিতে হয়, সামান্য অনুমান করে লবন কারন শেষে স্বাদ দেখে দেয়ার সুযোগ আছে, কিছু পানি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে এক বাটি মিক্স বানিয়ে নিতে হবে)
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ
– তেল (৪/৫ টেবিল চামচ)
– ধনিয়া পাতার কুঁচি (সাজিয়ে দেয়ার জন্য না হলে নাই, আমরা কাঁচা মরিচ দিয়ে সাজিয়েছি)


মুল রান্না শুরু করুন, কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ আদা রসুন ভাল করে ভেঁজে নিন।


ঘ্রান বের হলে বা পেঁয়াজের রঙ সোনালী হইয়ে যাবে, আগুনের আঁচ মাধ্যম থাকবে।


এবার মিক্স সসেস দিয়ে দিন।


ভাল করে জ্বাল দিয়ে তেল উঠিয়ে নিতে হবে। আগুন মাধ্য আঁচে থাকবে, চুলার ধার ছেড়ে চলে যাবেন না, নাড়াতে নাড়াতে রান্না চলবে।


এবার তুলে রাখা চিকেন চিজ বল গুলো ও কয়েকটা মরিচ সহ দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়িয়ে মিশিয়ে কয়েক মিনিট রেখে এক কাপ পানি দিন। (গরম পানি হলে ভাল না হলে নাই)


এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন এবং আগুন মাধ্যম আঁচে রাখুন।


মাঝে মাঝে ঢাকনা উল্টে নাড়িয়ে দিন, ঝোল কেমন রাখবেন সেটা নিজে ভেবে নিন। ঝোল বেশী গাঢ় করতে চাইলে একটু বেশি সময় রাখুন (বিকল্প ভাবে ঝোল গাঢ় করতে এক চা চামচ চালের গুড়া হাফ কাপ পানিতে গুলিয়ে দিতে পারেন, আমরা তা করি নাই)। এবার ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন, লাগলে দিন। (এই অবস্থায় মিষ্টি, টক স্বাদ চেঞ্জ করা যেতে পারে তবে তা করার দরকার নেই)। ব্যস, চুলা বন্ধ করে কিছু সময়ের জন্য ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। হয়ে গেল!

পরিবেশনাঃ

পরিবেশন করুন।


উপরে ধনিয়া পাতার কুঁচি ছিটিয়ে দিতে পারেন, না থাকলে মরিচের ফালি দিতে পারেন।


রুটি, পোলাউ, ভেজিটেবল রাইস বা ফ্রাইড রাইসের সাথে পরিবেশন করতে পারেন। নিঃসন্দেহে পরিবারের সবাই আনন্দ পাবে।

আমরা হোটেলে খাবারের চেয়ে ঘরে রান্না করা খাবারের ব্যাপারে সবাইকে উৎসাহিত করি। আসুন ঘরে মন ভরে ঘরে ভাল খাবার খাই! রান্না তেমন কঠিন কাজ নয়, শুধু প্রয়োজন রান্নার প্রতি ভালবাসা, ধৈর্য ও পরিবারের সকলের প্রতি মমতা।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

 

সুত্র: Recipe

ফ্রাইড রাইস উইথ চিকেন এন্ড ভেজিটেবল


 রেসিপি

ফ্রাইড রাইস উইথ চিকেন এন্ড ভেজিটেবল

 

উপকরণঃ

 

-পোলাও চাল ৭৫০ গ্রাম

-মিক্স ভেজিটেবল, পরিমাণমতো

-হাফ কাপ মুরগীর গোসত (হাড় ছাড়া)

-তিনটে ডিম

-পেয়াজ কুচি হাফ কাপ

-কাচা মরিচ কয়েকটা

-আদা বাটা বা চেঁচা, ১ টেবিল চামচ

-লবন

-তেল এক কাপের কম

– এক চামচ ঘি (থাকলে ভাল, না থাকলে নাই)

– সয়াসস, ৫ টেবিল চামচ

– ওয়েষ্টার সস, ৫ টেবিল চামচ

– টেমেটো সস, ৫ টেবিল চামচ

– চিনি, এক চা চামচ

– পানি

 

প্রনালীঃ

 

ধাপ ১ – হাতের কাছে সব যোগাড় করে ফেলা

– সয়াসস, ৫ টেবিল চামচ,

– ওয়েষ্টার সস, ৫ টেবিল চামচ

– টেমেটো সস, ৫ টেবিল চামচ

– চিনি, এক চা চামচ

মিশিয়ে এক বাটি মিক্স সস বানিয়ে ফেলুন। সয়া সসে লবন থাকে সেজন্য পরবর্তীতে লবন ব্যবহারে সর্তক হতে হবে।মুরগীর গোসত জুলিয়ান কাট কাটুন। পরিস্কার করে বাটিতে কয়েক চামচ মিক্স সসে মাখিয়ে রাখুন। ডিম ভেঙ্গে ফাটিয়ে নিন। কাঁচা মরিচ লম্বালম্বি করে কাটুন।সবজিগুলো কেটে নিন। গাজর থাকলে সেটা সেদ্ধ করে নিন।

ধাপ ২ – চাউল রান্না করে ফেলাচাউল পানিতে সামান্য লবণযোগে সিদ্ধ করে ফুটিয়ে নিন। বেশি নরমও নয়, আবার বেশী সিদ্ধ নয়!ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে চালগুলো ঝরঝরে করে ফেলুন এবং পানি ঝরিয়ে রেখে দিন।

ধাপ ৩ – ডিমের ঝুরি বানিয়ে ফেলাতেল গরম করে কয়েকটা কাঁচামরিচ দিয়ে ডিমগুলোর ঝুরি বানিয়ে ফেলুন।খুন্তি দিয়ে গুড়া গুড়া করে ফেলবেন। লক্ষ্য রাখবেন যেন ঝর ঝরে হয়ে যায়।

ধাপ ৪ – মূল রান্নাএবার কড়াইতে তেল গরম করুন, এক চামচ ঘি দিতে পারেন। প্রথমে তেল গরম হয়ে গেলে এক চিমটি লবন যোগে পেয়াজ কুচি ও আদা বাটা ভাজুন এবং চিকেনগুলো দিয়েও ভেজে নিন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিতে পারেন। চিকেন সিদ্ধ হয়ে চমৎকার রং ধরে যাবে।এবার ধীরে ধীরে সবজি দিতে থাকুন এবং ভাজুন।সব সবজি দিয়ে দিন।সবজিগুলো সিদ্ধ হয়ে এমন মোলায়েম রং ধরে যাবে। ঝাল চাইলে আরো কাঁচা মরিচ দিতে পারেন।এবার পানি ঝরিয়ে রাখা চাউল ছিটিয়ে দিন। মিক্স করতে থাকুন।বাটিতে থাকা কয়েক চামচ মিক্স সসেস দিন এবং নাড়ুন।আবারো কিছু চাল দিন।বাকি মিক্স সসেস দিয়ে দিন। এভাবে চাউল এবং সসেস দেয়ার কারন হচ্ছে যাতে সব ভাল করে মিক্স হয়।খুন্তি দিয়ে নাড়িয়ে এমন একটা অবস্থায় এসে যাবে।চাল দেখে নিন। এবার ডিমের ঝুরি (যা আগে করে রাখা হয়েছিল) দিয়ে দিন এবং নাড়ান।এই তো হয়ে গেল! সাথে চিকেন ফ্রাই কিংবা ঝোল জাতীয় কোন সসেস মুরগী রান্না করতে পারেন।

হাঁসের আখনি পোলাও


akhni

হাঁসের আখনি পোলাও

উপকরণ:
ক. মাংস রান্না: হাড়সহ হাঁসের মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, টক দই ৩ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ১ কাপ, পানি (গরম) ১ কাপ।

খ. পোলাওয়ের জন্য: চাল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, ঘি ১ কাপ, মাওয়া (গুঁড়া করা) ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ১ কাপ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, বাদামকুচি ১ টেবিল-চামচ, আলুবোখারা ৫-৬টি, লবণ স্বাদমতো, সেদ্ধ ডিম ২টি।
গ. আখনি করা পানির জন্য: পানি দেড় লিটার, হাঁসের হাড় ৪-৫ টুকরা, শাহি জিরা আধা চা-চামচ, লবঙ্গ ৭-৮টি, এলাচ থেঁতো করা ৪-৫টি, গোলমরিচ ৮-১০টি, তেজপাতা ২টি, দারচিনি ২টি।

প্রণালি: হাঁসের মাংস পরিষ্কার করে কেটে ও ধুয়ে দই এবং বাটা সব মসলা মেখে ১ ঘণ্টা রাখুন। সসপ্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি একটু ভেজে মাখানো হাঁসের মাংস দিয়ে ভালো করে কষিয়ে সেদ্ধ করতে হবে এবং মাংস অন্য একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে। অন্য আরেকটি সসপ্যানে আখনির পানির সব উপকরণ দিয়ে একসঙ্গে জ্বাল দিতে হবে। পানি কমে দেড় লিটার থেকে ১ লিটার হলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে।
চাল ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। হাঁসের মাংস রান্না করা সসপ্যানে দিন। তাতে আখনি করা ১ লিটার পানি দিয়ে তাতে গুঁড়ো দুধ, গরম মসলা ও চাল দিয়ে নাড়তে হবে। যেন সব দিকের চাল সমান তাপ পায়। চাল ফুটে উঠলে কিশমিশ, বাদামকুচি, আলুবোখারা, লবণ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে ঢেকে দমে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে মাওয়া, রান্না করা হাঁসের মাংস সাজিয়ে নিচ থেকে কিছু পোলাও দিয়ে ঢেকে আরও ১৫ মিনিট মৃদু আঁচে দমে রাখতে হবে। সেদ্ধ ডিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা যায় হাঁসের আখনি পোলাও।

 

ফিশ স্টেক


Grill-Marline-Fish-Steak

ফিশ স্টেক
তিনজনের জন্য পরিবেশন
উপকরণ: ভেটকি মাছের ফিলে আধা কেজি, লবণ পরিমাণমতো, ডিম ১টা, সয়া সস ২-৩ টেবিল-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ময়দা ১ টেবিল-চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া পরিমাণমতো, তেল (ভাজার জন্য) পরিমাণমতো, আদা বাটা ১ চা-চামচ, বেসন ১ চা-চামচ।
প্রণালি: মাছ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ৪ টেবিল-চামচ লেবুর রস ও অল্প লবণ মাখিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর আবার ধুয়ে ফেলতে হবে। পানি ঝরিয়ে মাছে সয়া সস ও গোলমরিচের গুঁড়া অর্ধেক, পরিমাণমতো লবণ, আদা বাটা মেখে কাঁটাচামচ দিয়ে ভালো করে কেচে নিতে হবে। ১৫-২০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর ডিম, লবণ ও বাকি সয়া সস, গোলমরিচের গুঁড়া, বেসন দিয়ে মাখাতে হবে। সবশেষে ফিলেগুলো টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিয়ে ফ্রাইপ্যানে ডুবোতেলে ভাজতে হবে।

চিকেন ক্রাম স্টেক


fried-steak-sl-1713153-l

 

চিকেন ক্রাম স্টেক
চারজনের জন্য পরিবেশন

উপকরণ: মাঝারি মুরগি ১টা, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি টেবিলচামচ, ধনেপাতা কুচি টেবিলচামচ, সয়া সস টেবিলচামচ, ওয়েস্টার সস টেবিলচামচ, লবণ পরিমাণমতো, ডিম ১টা, আদা বাটা চাচামচ, ব্রেডক্রাম পরিমাণমতো

প্রণালি: মুরগি চার টুকরা করে হাড় ছাড়িয়ে নিন পেঁয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, লবণ, ডিম, সয়া সস, ওয়েস্টার সস আদা বাটা দিয়ে একসঙ্গে পেস্ট বানাতে হবে মুরগির টুকরোগুলো এই মিশ্রণে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখতে হবে কাঁটাচামচ দিয়ে কেচে নিতে হবে এবার ব্রেডক্রামে জড়িয়ে ছ্যাঁকা তেলে বাদামি করে ভেজে নিতে হবে
কম সময়ে এটি তৈরি করতে চাইলে মিশ্রণে চামচ পেঁপে বাটা দিতে পারেন

কল্পনা রহমান
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ১৬, ২০১০

 

হালিম


হালিম

হালিম

উপকরণ: হাড়সহ মাংস ৩ কেজি, এলাচ ৪টি, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, লবণ ১ টেবিল-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, টক দই আধা কাপ, দারচিনি ৪ টুকরা, আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা বাটা ২ চা-চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবঙ্গ ৪টি, ধনে বাটা ২ টেবিল-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: মাংস হাড়সহ ছোট ছোট টুকরা করে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে।
৪ কাপ বা পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে মাংস কষিয়ে নিতে হবে।

উপকরণ: মুগডাল ভাজা আধা কাপ, পোলাওয়ের চাল ১ কাপ, মসুর ডাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, গম আধা ভাঙা ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ, মটর ডাল আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৭-৮টি, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, মাষকলাইয়ের ডাল ভাজা আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, ছোলার ডাল পৌনে কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।

প্রণালি: গম ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে চাল-ডাল ধুয়ে সব উপকরণ একসঙ্গে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। গম-ডাল ভালোভাবে সেদ্ধ হলে ঘুটে নিতে হবে। মাংস ঢেলে দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। পরিবেশনের সময় আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, হালিমের মসলা, লেমন রাইন্ড, লেবুর রস, কাঁচা মরিচ কুচি, পুদিনাপাতা কুচি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

হালিমের মসলার উপকরণ: ধনে গুঁড়া ৪ টেবিল-চামচ, একাঙ্গি সিকি ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, দারচিনি ১ চা-চামচ, কালজিরা গুঁড়া হাফ চা-চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, লবঙ্গ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, মৌরি ১ টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ ১২-১৪টি, সরিষা ১ টেবিল-চামচ, জিরা ২ টেবিল-চামচ, এলাচ ৬টি, রাঁধুনি ১ চা-চামচ।

প্রণালি: সব মসলা আলাদা গুঁড়া করে একসঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ১০, ২০১০

– See more at: http://www.ebanglarecipe.com/2137#sthash.xlfn8oor.dpuf

হালিম

উপকরণ: হাড়সহ মাংস ৩ কেজি, এলাচ ৪টি, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, লবণ ১ টেবিল-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, টক দই আধা কাপ, দারচিনি ৪ টুকরা, আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা বাটা ২ চা-চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবঙ্গ ৪টি, ধনে বাটা ২ টেবিল-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: মাংস হাড়সহ ছোট ছোট টুকরা করে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে।
৪ কাপ বা পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে মাংস কষিয়ে নিতে হবে।

উপকরণ: মুগডাল ভাজা আধা কাপ, পোলাওয়ের চাল ১ কাপ, মসুর ডাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, গম আধা ভাঙা ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ, মটর ডাল আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৭-৮টি, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, মাষকলাইয়ের ডাল ভাজা আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, ছোলার ডাল পৌনে কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।

প্রণালি: গম ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে চাল-ডাল ধুয়ে সব উপকরণ একসঙ্গে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। গম-ডাল ভালোভাবে সেদ্ধ হলে ঘুটে নিতে হবে। মাংস ঢেলে দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। পরিবেশনের সময় আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, হালিমের মসলা, লেমন রাইন্ড, লেবুর রস, কাঁচা মরিচ কুচি, পুদিনাপাতা কুচি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

হালিমের মসলার উপকরণ: ধনে গুঁড়া ৪ টেবিল-চামচ, একাঙ্গি সিকি ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, দারচিনি ১ চা-চামচ, কালজিরা গুঁড়া হাফ চা-চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, লবঙ্গ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, মৌরি ১ টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ ১২-১৪টি, সরিষা ১ টেবিল-চামচ, জিরা ২ টেবিল-চামচ, এলাচ ৬টি, রাঁধুনি ১ চা-চামচ।

প্রণালি: সব মসলা আলাদা গুঁড়া করে একসঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ১০, ২০১০

হালিম

উপকরণ: হাড়সহ মাংস ৩ কেজি, এলাচ ৪টি, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, লবণ ১ টেবিল-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, টক দই আধা কাপ, দারচিনি ৪ টুকরা, আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা বাটা ২ চা-চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবঙ্গ ৪টি, ধনে বাটা ২ টেবিল-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: মাংস হাড়সহ ছোট ছোট টুকরা করে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে।
৪ কাপ বা পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে মাংস কষিয়ে নিতে হবে।

উপকরণ: মুগডাল ভাজা আধা কাপ, পোলাওয়ের চাল ১ কাপ, মসুর ডাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, গম আধা ভাঙা ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ, মটর ডাল আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৭-৮টি, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, মাষকলাইয়ের ডাল ভাজা আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, ছোলার ডাল পৌনে কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।

প্রণালি: গম ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে চাল-ডাল ধুয়ে সব উপকরণ একসঙ্গে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। গম-ডাল ভালোভাবে সেদ্ধ হলে ঘুটে নিতে হবে। মাংস ঢেলে দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। পরিবেশনের সময় আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, হালিমের মসলা, লেমন রাইন্ড, লেবুর রস, কাঁচা মরিচ কুচি, পুদিনাপাতা কুচি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

হালিমের মসলার উপকরণ: ধনে গুঁড়া ৪ টেবিল-চামচ, একাঙ্গি সিকি ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, দারচিনি ১ চা-চামচ, কালজিরা গুঁড়া হাফ চা-চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, লবঙ্গ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, মৌরি ১ টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ ১২-১৪টি, সরিষা ১ টেবিল-চামচ, জিরা ২ টেবিল-চামচ, এলাচ ৬টি, রাঁধুনি ১ চা-চামচ।

প্রণালি: সব মসলা আলাদা গুঁড়া করে একসঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ১০, ২০১০

– See more at: http://www.ebanglarecipe.com/2137#sthash.xlfn8oor.dpuf